বিশেষ মানুষের আবদার মেটাতে, প্রায় এক যুগ পর রঙ তুলি হাতে নিলাম।

0
111

প্রায় এক যুগ পর রঙ তুলি হাতে নিলাম। আজকের আবদার ছবি এঁকে দাও।নাছোড়বান্দা তেনার কিছু কিছু আবদার মেটাতে গিয়ে আমাকে ফিরে যেতে হয় আমার শৈশবে। এমন একটা সময় ছিল যখন রঙ তুলির প্রতি চরমভাবে আসক্ত ছিলাম। যদিও ছবি আঁকায় বরাবরই আমি ভীষণ রকমের অজ্ঞ , অপরিপক্ক। সব ধরনের না পারা বা ব্যার্থতা গুলি আমার মাথায় জ্যামিতিক হারে ঘুরপাক খেত। আর আগ্রহ ও বেড়ে যেত দ্বিগুন গতিতে। ছবি আঁকার ব্যাপার টা তেও বিপরীত ঘটে নি। বইয়ের পাতা,ক্যালেন্ডার,কিংবা দেয়ালে ঝুলানো ওয়ালমেইট এর রঙ বেরঙের ছবি আমাকে শুধু আকৃষ্টই করত না যতক্ষন না আমি অনুরূপ ছবি আঁকার ব্যার্থ চেষ্টা করার সুযোগ না পেতাম,মনে মনে প্রবল ভাবে অতৃপ্তিতে ভুগতাম। কখনো কখনো শুধু এসব ছবি ই না বর্ষা কালে আমাদের বাড়ির সামনের ধানক্ষেত কে হঠাৎ থৈ থৈ পুকুর রূপে দেখে খুব ইচ্ছে হতো রঙ তুলির ব্যাবহার করে ঠিক এইরকম একটা ছবি ই রেখে দিব আমার বইয়ের ভাঁজে। বর্ষা শেষে শরতে ধানক্ষেতের পানি শুকিয়ে আবার ধানক্ষেত হয়ে যাবে।কিন্তু আমার আঁকা ছবির ধানক্ষেতটি বর্ষার থৈ থৈ পুকুর হয়েই থাকবে।কত কিছুই না ভাবতাম ! মুহূর্তের মধ্যে কল্পনার হাজার হাজার রকমের রঙ তুলি দিয়ে এঁকে ফেলতাম সে ছবি। আবার কখনো শরতের ঝলমলে রোদে ভরা আকাশ দেখে ইচ্ছে হতো আকাশ আঁকতে। সে আকাশের কোথাও ঝলমলে রোদ, আবার কোথাও আলো ছায়া খেলা করবে। কত প্রশ্ন মনের মধ্যে ঘুরপাক খেত।আচ্ছা,,কল্পনায় তো অনেক রঙ ই পাওয়া যায়। ঝলমলে রোদের রঙ কি পাওয়া যায়?নাকি দুই তিনটা রঙের কম্বিনেশন এ বানিয়ে নিতে হয় ????
অংকন করেছেন,, ফারজানা টুমপা,

ছবি ও তথ্য : আলামিন হোসেন শাকির

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here